টাঙ্গাইলের সখীপুরে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের ধানক্ষেতের কাছে দুলু মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চটানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত দুলু মিয়া ওই গ্রামের মৃত কাঞ্জু মিয়ার ছেলে। তিনি বড়চওনা রফিকরাজু স্কুলের দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দুলু মিয়ার প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম জানান, প্রায় ১০ বছর আগে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার তালাক হলেও ওই বাড়িতে দুলু মিয়ার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। আমরা বারবার বলেও তাকে ফেরাতে পারিনি। ওরাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে।
অন্যদিকে দুলু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা বেগম জানান, তালাকের পর দুলু মিয়ার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
নিহতের ছেলে আজহার মিয়া বলেন, তার বাবা গত রাতে দোকানে চা পান করে বাড়িতে ফেরেন। পরে আবার বাইরে বের হন। এরপর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার বাবার মরদেহ রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের ধানক্ষেতের কাছে দুলু মিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চটানপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত দুলু মিয়া ওই গ্রামের মৃত কাঞ্জু মিয়ার ছেলে। তিনি বড়চওনা রফিকরাজু স্কুলের দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দুলু মিয়ার প্রথম স্ত্রী আসমা বেগম জানান, প্রায় ১০ বছর আগে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কয়েক বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তার তালাক হলেও ওই বাড়িতে দুলু মিয়ার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। আমরা বারবার বলেও তাকে ফেরাতে পারিনি। ওরাই আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে।
অন্যদিকে দুলু মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা বেগম জানান, তালাকের পর দুলু মিয়ার সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
নিহতের ছেলে আজহার মিয়া বলেন, তার বাবা গত রাতে দোকানে চা পান করে বাড়িতে ফেরেন। পরে আবার বাইরে বের হন। এরপর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার বাবার মরদেহ রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশের ধানক্ষেতের কাছে দুলু মিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
অনলাইন ডেস্ক